Skip to main content

পর্যটকদের জন্য রবির ‘ঘুরব ডটকম’

পর্যটকদের সহায়তা করতে মোবাইল ফোন অপারেটর রবি নিয়ে এসেছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘ঘুরব ডটকম’। দেশে ও দেশের বাইরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সার্বিক সহায়তা দেবে এই প্ল্যাটফর্ম।

আজ সোমবার রবির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে রবি বলছে, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভ্রমণকারীরা এখন থেকে দ্রুত, সহজ, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে দেশ বা দেশের বাইরে ভ্রমণের জন্য ফ্লাইট, ট্যুর প্যাকেজ ও হোটেল বুক করার সুযোগ পাবেন। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ঘুরব ডটকমের গ্রাহকেরা এজেন্টদের সঙ্গে চ্যাট করে তথ্য নিতে পারবেন। এতে গ্রাহকেরা তাঁদের সব প্রশ্ন ও ভাবনার উত্তর পেয়ে যাবেন। গ্রাহকদের মানসম্মত সেবা দিতে ডেটা অ্যানালিটিকস সলিউশনের মাধ্যমে ঘুরব ডটকম প্ল্যাটফর্মটি সাজানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করা মোবাইল অ্যাপ অথবা ঘুরব ডটকম ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটির সেবা নিতে পারবেন। অ্যাপটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাঁদের আশপাশের বেড়ানোর জায়গাগুলো সম্পর্কেও তথ্য পেয়ে যাবেন। পাশাপাশি কোনো স্থানে ভ্রমণের জন্য সার্বিক তথ্য ও সহায়তা দেবে এই প্ল্যাটফর্ম।

যেকোনো ব্যক্তি ঘুরব ডটকমের সেবা নিতে পারবেন। তবে ঘুরব ডটকম থেকে সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা ও ছাড় ভোগ করতে পারবেন রবি গ্রাহকেরা। দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক ভিত্তিতে এ সেবা নেওয়া যাবে। ভ্যাট, সম্পূরক শুল্ক, সারচার্জসহ দৈনিক দুই টাকা, সাপ্তাহিক সাত টাকা এবং মাসিক ২৫ টাকা ব্যয়ে গ্রাহকেরা ঘুরব ডটকমের সেবা পাবেন।

নিবন্ধিত গ্রাহকেরা প্ল্যাটফর্মটি নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারবেন। তাঁরা ভ্রমণের প্রয়োজনীয় তথ্য, ই–মেইল ও টিকিট প্রিন্ট, ফ্লাইট নোটিফিকেশন পাওয়া, বিশেষ সেবা বেছে নেওয়া, নিজের বুকিং হিস্টরি জানা এবং খুদে বার্তা বা এসএমএসের মাধ্যমে সাশ্রয়ী ভাড়ার খোঁজ-খবর জানতে পারবেন।

এ ছাড়া ঘুরব ডটকমের নিবন্ধিত গ্রাহকেরা প্ল্যাটফর্মটিতে নিজস্ব প্রোফাইল তৈরি, এক বা একাধিক স্থানের ফ্লাইটের খোঁজ নেওয়া, বুকিং বাতিল অথবা অর্থ ফেরত পাওয়া এবং ৪৩৫টি এয়ারলাইনসের (৬০টি সাশ্রয়ী মূল্যের বিমানসেবাসহ) তথ্য, বাংলাদেশি টাকায় অনলাইনে টাকা পরিশোধের সুযোগ এবং ভ্রমণের সময় ব্যবহারের জন্য ই-টিকিট সংরক্ষণের সুবিধা পাবেন।


Comments

Popular posts from this blog

এসএমপিতে জিপি, বিধিনিষেধ আসছে

সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার বা এসএমপি অপারেটরে পড়েছে গ্রামীণফোন। ফলে শিগগিরই নানা বিধিনিষেধের মুখে পড়তে যাচ্ছে অপারেটরটি। বুধবার টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির কমিশন বৈঠকে জিপিকে এসএমপি ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়। এসএমপি ইস্যুতে এই কমিশন বৈঠক দু’দিন ধরে চলছিল। গ্রাহক ও রাজস্ব দুই ক্যাটাগরিতেই এসএমপিতে পড়েছে তারা। এসএমপি ঘোষিত হতে প্রবিধানমালার যে ৪০ শতাংশ বাজার শেয়ারের সীমা রয়েছে সেখানে এই দুই ক্যাটাগরিতেই জিপির সীমা ছাড়িয়ে গেছে। গ্রাহকে অপারেটরটির প্রায় ৪৭ শতাংশ এবং রাজস্বে ৫০ শতাংশের বেশি বাজার দখল রয়েছে। প্রবিধানমালার তৃতীয় ক্যাটাগরি স্পেকট্রামের বিষয়টি বৈঠকে আলোচনায় আসেনি। কারণ কোনো অপারেটরেরই ৪০ শতংশ স্পেকট্রাম নেই। বৈঠকে অপারেটরটির ওপর ১০ রকম বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে কয়টি আর কোন কোন বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে তা পরের সপ্তাহে বৈঠকের কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধের পর নিশ্চিত হবে। এই ১০ রকম বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে কলরেট ও ডেটার দাম বাড়িয়ে দেয়া, জিপির অফার অন্য অপারেটরগুলো কপি করে নিতে পারলেও সে অন্য কারও অফার কপি করতে পারবে না, প্যাকেজ সংখ্যা কমিয়ে আনা, নতুন সংযোগের ক্ষেত...

সংখ্যা নয়, চাই শিক্ষার মান

ছবিঃ প্রথম আলো গত ১০ বছরে শিক্ষা খাতে বেশ কিছু উন্নতি তবে দেশে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ গুণগত মানের ওপর জোর দেওয়ার তাগিদ গত ১০ বছরে দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ভর্তি ও পাসের হার, বৃত্তি-উপবৃত্তি—সবই তরতরিয়ে বেড়েছে। কিন্তু অর্জনগুলো ম্লান করে দিচ্ছে নীতি-সিদ্ধান্তের দোদুল্যমানতা, পরীক্ষার আধিক্য, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং নানা দুর্নীতি ও অনিয়ম। আর শিক্ষাবিদেরা বলছেন, এভাবে শিক্ষার মান নেমে যাচ্ছে। শিক্ষাবিদদের পরামর্শ হলো, সংখ্যার বদলে নতুন সরকারের উচিত হবে শিক্ষার গুণগত মানের ওপর জোর দেওয়া। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন দায়িত্ব নেওয়ার পর গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন। গত এক দশকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে শিক্ষার্থীদের নতুন বই দেওয়া, প্রায় সব শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করা, সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি, প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে ছেলে-মেয়ের সমতা আসার মতো লক্ষ্যগুলো অর্জিত হয়েছে। এই সময়ে ২৬ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি হয়েছে। যেসব উপজেলায় সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ নেই, সেগুলোতে এক...

২০২১ সালের মধ্যে মিলবে ৩য় সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইথ

তিন বছরের মধ্যে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইথ দেশের চাহিদায় যুক্ত হবে বলে আশা করছে সরকার।   দেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধির যে গতি তাতে ২০২১ সালের মধ্যে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইথ পাওয়া না গেলে চাহিদার বিপরীতে পরিস্থিতি সামাল দেয়া যাবে না বলে মনে করছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।     ইতোমধ্যে নিজেদের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের জন্য নতুন সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে এই কনসোর্টিয়ামের উদ্যোক্তাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে, বাংলাদেশ এই ক্যাবলে থাকছে।  এখন সক্ষমতা, বিনিয়োগ ইত্যাদি বিষয়ে কাজ চলছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কিছু দিন পরে আমাদের ব্যান্ডউইথের চাহিদা এমন জায়গায় গিয়ে ঠেকবে যে, সি-মি-উই ৫ দিয়ে তা আর সামাল দেয়া যাবে না। তাই বছর তিনেকের মধ্যেই তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইথ যোগ করতে হবে।   ‘এর মধ্যে বেসরকারি কেউ সাবমেরিন ক্যাবল করতে চাইলে চার নম্বর সাবমেরিন ক্যাবলও নেয়া হবে। তখন চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানিও করা যাবে। নেপাল, ভুটান ও ভারতসহ কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে বাংলাদেশের ক...