Skip to main content

শিক্ষামন্ত্রী: ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণে গাফিলতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি
রবিবার রাজধানীর বকশিবাজার আলিয়া মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণের অভিযোগ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি বলেছেন, "এ বিষয়ে গাফিলতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে"।
চলতি এসএসসি পরীক্ষায় শনিবার প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র বিষয়ের পরীক্ষায় দেশের বিভিন্ন জেলায় ভুল প্রশ্ন বিতরণের অভিযোগ আসে। এতে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক মহল ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
"প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধে রয়েছে কঠোর নজরদারি। পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রে ভুল ও বিতরণে গাফিলতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে", বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
রবিবার রাজধানীর বকশিবাজার আলিয়া মাদ্রাসা পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. দিপু মনি বলেন, "প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে সবচেয়ে বেশি নজরদারি করা হচ্ছে"।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "পরীক্ষা শুরুর এক ঘন্টা পর কোনো শিক্ষার্থী হল থেকে বের হতে চাইলে প্রশ্নপত্র রেখে বের হতে হবে। মূলত, পরীক্ষা শুরুর পর অনলাইনে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়া বন্ধে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে"।
এ সময় প্রশ্নফাঁস বন্ধে মিডিয়া ও অভিভাবকদের সহযোগিতা চান শিক্ষামন্ত্রী।

Comments

Popular posts from this blog

সংখ্যা নয়, চাই শিক্ষার মান

ছবিঃ প্রথম আলো গত ১০ বছরে শিক্ষা খাতে বেশ কিছু উন্নতি তবে দেশে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ গুণগত মানের ওপর জোর দেওয়ার তাগিদ গত ১০ বছরে দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ভর্তি ও পাসের হার, বৃত্তি-উপবৃত্তি—সবই তরতরিয়ে বেড়েছে। কিন্তু অর্জনগুলো ম্লান করে দিচ্ছে নীতি-সিদ্ধান্তের দোদুল্যমানতা, পরীক্ষার আধিক্য, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং নানা দুর্নীতি ও অনিয়ম। আর শিক্ষাবিদেরা বলছেন, এভাবে শিক্ষার মান নেমে যাচ্ছে। শিক্ষাবিদদের পরামর্শ হলো, সংখ্যার বদলে নতুন সরকারের উচিত হবে শিক্ষার গুণগত মানের ওপর জোর দেওয়া। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন দায়িত্ব নেওয়ার পর গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন। গত এক দশকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে শিক্ষার্থীদের নতুন বই দেওয়া, প্রায় সব শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করা, সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি, প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে ছেলে-মেয়ের সমতা আসার মতো লক্ষ্যগুলো অর্জিত হয়েছে। এই সময়ে ২৬ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি হয়েছে। যেসব উপজেলায় সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ নেই, সেগুলোতে এক...

হোম মেড খাবার ডেলিভারি দেয় যারা

বাইরের খাবার খেলে হয়তো বিভিন্ন ধরণের স্বাদ পাওয়া যায়। কিন্তু ঘরের খাবারের মতো মান আশা করা যায় না।যারা বাইরের খাবারে ঘরের খাবারের মান খোঁজেন তাদের জন্য রয়েছে হোমমেড ফুড ডেলিভারির ব্যবস্থা। বেশ কয়েকটি ফেইসবুক পেইজ থেকে সরাসরি অর্ডার করা যায় হোমমেড ফুড। বিভিন্ন ধরণের হোমমেড খাবার প্রস্তুতকারী কয়েকটি ফেইসবুক পেইজের খোঁজ থাকছে প্রতিবেদনে। ফুড প্ল্যানেট ঘরে বানানো পিঠা, পুডিং, চিকেন বল, চিকেন নাগেটস, রোল, বরফি, মালাই চপ, সেট মেনু ও ফ্রোজেন ফুড অর্ডার করা যায় এখানে। পেইজটির মালিক মারিয়াম রুম্পা। তিনি জানান, ২০১৪ সাল থেকেই এ ব্যবসা শুরু করি। আগে পেইজটিতে শুধু রেসিপি আপলোড করতাম। পরে দেখলাম হোম মেড ফুডের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। প্রথমে অল্প পরিসরেই শুরু করি। এখন অর্ডারের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কর্মী নেওয়ার কথা ভাবছি। হোমমেড ডিশেস এখানে চাহিদা মতো খাবার অর্ডার করা যায়। কেমন পরিবেশে খাবার রান্না হয় তার ভিডিও আপলোড করা আছে পেইজটিতে। স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিরা ঘরে রান্না করা খাবার অর্ডার করতে ঢুঁ মারতে পারেন পেইজটি। এতে লাইক রয়েছে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি। কুকলিঢাকা পেইজটিতে শুধু খাবার অর্ডারই নেওয়া হয় না। বিভিন...

২০২১ সালের মধ্যে মিলবে ৩য় সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইথ

তিন বছরের মধ্যে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইথ দেশের চাহিদায় যুক্ত হবে বলে আশা করছে সরকার।   দেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধির যে গতি তাতে ২০২১ সালের মধ্যে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইথ পাওয়া না গেলে চাহিদার বিপরীতে পরিস্থিতি সামাল দেয়া যাবে না বলে মনে করছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।     ইতোমধ্যে নিজেদের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের জন্য নতুন সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে এই কনসোর্টিয়ামের উদ্যোক্তাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে, বাংলাদেশ এই ক্যাবলে থাকছে।  এখন সক্ষমতা, বিনিয়োগ ইত্যাদি বিষয়ে কাজ চলছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কিছু দিন পরে আমাদের ব্যান্ডউইথের চাহিদা এমন জায়গায় গিয়ে ঠেকবে যে, সি-মি-উই ৫ দিয়ে তা আর সামাল দেয়া যাবে না। তাই বছর তিনেকের মধ্যেই তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইথ যোগ করতে হবে।   ‘এর মধ্যে বেসরকারি কেউ সাবমেরিন ক্যাবল করতে চাইলে চার নম্বর সাবমেরিন ক্যাবলও নেয়া হবে। তখন চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানিও করা যাবে। নেপাল, ভুটান ও ভারতসহ কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে বাংলাদেশের ক...